ইত্তেফাকের অনুযায়ী, বিষয়ভিত্তিক দক্ষ শিক্ষক সংকটের কারণে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার্থীরা ইংরেজি ও আইসিটিতে অকৃতকার্য হয়েছে, যা শিক্ষা মান হ্রাসের কারণ।
ইত্তেফাকের অনুযায়ী, ইংরেজিতে ৩৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ এবং আইসিটিতে ২৭ দশমিক ৫৪ শতাংশ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য, আর ২ হাজার ৬২৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইংরেজি শিক্ষক নেই, মোট ৬৪ হাজার ২৫৩ জন শিক্ষকর মধ্যে ৫১ হাজার ৩৬০ জনের ইংরেজি ডিগ্রি নেই।
ইত্তেফাকের অনুযায়ী, আইসিটি ১৩ বছর আগে বাধ্যতামূলক হয়েছে, তবে শিক্ষক পদ সৃষ্টি হয়নি, ৩ হাজার ৪৬১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আইসিটি শিক্ষক নেই, ৪০ শতাংশ শিক্ষকের প্রশিক্ষণ নেই, ৫৬ শতাংশ ইংরেজি শিক্ষকের বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ নেই।
ইত্তেফাকের অনুযায়ী, শিক্ষা মূলত মুখস্থনির্ভর, যা শিক্ষার্থীর চিন্তা-শক্তি সীমিত করে এবং ভিতয় দুর্বলতা সৃষ্টি করে; মাঝারি ৩০-৩৫ শতাংশ শিক্ষার্থী ক্লাসে উপস্থিত, ৫২ শতাংশ উপস্থিত না; শুধুমাত্র নিয়মিত ক্লাসে অংশ নিতে পারা শিক্ষার্থীরা পাশে যায়।
ইত্তেফাকের অনুযায়ী, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের মনজুর আহমেদ রোববার এবং ঢাকা বোর্ডের সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেছেন, করোনার পর শিক্ষার মান ধারাবাহিকভাবে কম, শিক্ষকসংকট, খালি পদ, বেতন-ভাতা না, শিক্ষা উন্নয়ন কমিশন গঠন সেয়ে কোনো অগ্রগতি নেই, ১১৮ সুপারিশের কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
ইত্তেফাকের অনুযায়ী, নটর ডেম কলেজের শিক্ষক বলেছেন, করোনার পর শিখন ঘাটতি লালিয়ে চলছে, শিক্ষার্থীর মৌলিক জ্ঞান ঘাটতি, পাঠ্যবইমুখ, ২০২৪ রাজনৈতিক বাস্তবতা, সিলেবাস পরিবর্তন, পরীক্ষার সময়ের অস্থিরতা মনোযোগ নষ্ট করেছে।
ইত্তেফাকের অনুযায়ী, শিক্ষার্থীর দুর্বল ফলের পেছনে মূল্য‑পূর্ণ কারণগুলো রয়েছে: মুখস্থনির্ভর শিক্ষা, ব্যবহারিক ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার ঘাটতি, পর্যাপ্ত অনুশীলন, এবং পরীক্ষা‑ভিত্তিক জোরের ফলে ব্যাকরণ, শব্দভাণ্ডার, কথা বলা‑লেখা, কম্পিউটার‑ল্যাবের অভাব, প্রশিক্ষিত শিক্ষকের সংকট এবং তাত্ত্বিক জ্ঞানের বেশি ব্যবহার।
ইত্তেফাকের অনুযায়ী, গ্রামীণ শিক্ষার্থী, বিশেষ করে রংপুর ও ময়মনসিংহ, ইংরেজি স্কোরে সবচেয়ে দুর্বল; মাদ্রাসা শিক্ষার্থী বাংলায় বেশি পিছে, ৯৫ শতাংশ শিক্ষার্থী মেধার শীর্ষ স্তরে পৌঁছাতে পারছেনা।







