স্ট্রোকের লক্ষণ দেখা দিলে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে, তা সমকালের প্রতিবেদকের মতে। প্রতি মিনিটে প্রায় ১৯ লাখ স্নায়ুকোষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে; দ্রুত চিকিৎসা না পেলে মৃত্যু বা স্থায়ী পঙ্গুত্বের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
মুখ বেঁকে যাওয়া, হাত‑পা দুর্বল হয়ে পড়া কিংবা কথা জড়িয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে এক মুহূর্তও অপেক্ষা না করে জরুরি চিকিৎসা নিতে হবে। এসব লক্ষণ কয়েক মিনিটের মধ্যে সেরে গেলেও অবহেলা করা যাবে না, কারণ তা ট্রানজিয়েন্ট ইস্কেমিক অ্যাটাক (TIA) হতে পারে, যা পরবর্তী স্ট্রোকের সতর্কসংকেত।
চিকিৎসার সময়সীমা
ইস্কেমিক স্ট্রোকের উপযুক্ত রোগীর ক্ষেত্রে উপসর্গ শুরুর সাড়ে চার ঘণ্টার মধ্যে শিরাপথে থ্রম্বোলাইসিসের মাধ্যমে রক্তের জমাট গলানো যায়। মস্তিষ্কের বড় রক্তনালি বন্ধ হলে মেকানিক্যাল থ্রম্বেকটমি নামে একটি পদ্ধতি রয়েছে, যা উপযুক্ত রোগীর ক্ষেত্রে উপসর্গ শুরুর ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত কার্যকর হতে পারে।
তবে সচেতনতার অভাব, হাসপাতালে পৌঁছাতে দেরি এবং বিশেষায়িত চিকিৎসার সীমিত সুযোগে অনেক রোগীই এসব চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হন।
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হুমায়ুন কবীর হিমু বলেন, স্ট্রোকের লক্ষণ দেখা দিলে এক মুহূর্তও অপেক্ষা করা উচিত নয়।
বিশ্ব স্ট্রোক দিবসের আন্তর্জাতিক থিম ‘প্রতিটি মিনিট মূল্যবান’ এবং এই দিনটি আজ বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬-এ পালিত হয়েছে।
উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল, ধূমপান, স্থূলতা, অনিয়মিত জীবনযাপন ও অ্যাট্রিয়াল ফিব্রিলেশন স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়, যা এখন কেবল প্রবীণ নয়, তরুণ ও কর্মক্ষম বয়সের মানুষের মধ্যেও দেখা দিচ্ছে।
সমকাল অনুযায়ী।







