আজকের পত্রিকা অনুসারে, ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের অতিরিক্ত ঋণ গ্রহণ মুদ্রানীতির কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করছে। এই পরিস্থিতিতে ঊর্ধ্বমুখী মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ বাড়ানো এবং প্রবৃদ্ধির গতি ফেরাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকারের মধ্যে নীতিগত সমন্বয় জরুরি।

p>গতকাল বুধবার রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) মিলনায়তনে '১১তম বার্ষিক ব্যাংকিং কনফারেন্স ২০২৬'-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে এসব বিষয় উঠে আসে। দুই দিনের এই সম্মেলনে ব্যাংকিং খাতের সংকট, সংস্কারের চ্যালেঞ্জ এবং সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ফেরানোর নীতিগত দিকগুলো গুরুত্ব পায়।

p>অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. জায়েদী সাত্তার বলেন, সরকার অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে প্রায় ৬০ শতাংশ ঋণ নেওয়ায় মুদ্রানীতির কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

p>বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর কবির আহমেদ বলেন, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হওয়ায় ছয় মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সক্ষমতা তৈরি হয়েছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে অনাদায়ি ঋণের হার ৩৬ শতাংশ ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, চলতি বছরের শেষ নাগাদ তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর আশা করা হচ্ছে।

p>এই আলোচনায় অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) সভাপতি ও সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন।