প্রথম আলো ইংরেজির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেসিক ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান শেখ আবদুল হাই (বাচ্চু) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে ২০২৩ সালে পরিবারের সাথে কানাডায় চলে গেছেন। দুদক পূর্বে দাবি করেছিল তিনি এখনও বাংলাদেশেই অবস্থান করছেন।

২০০৯ সালের ১০ সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগ সরকার শেখ আবদুল হাই বাচ্চুকে বেসিক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়। ২০১৪ সালের জুলাই পর্যন্ত টানা প্রায় পাঁচ বছর তিনি এই দায়িত্ব পালন করেন। এই সময়ে ব্যাংকে প্রায় ৪,৫০০ কোটি টাকার ঋণ অনিয়ম ও দুর্নীতির ঘটনা ঘটে। ব্যাংকটিকে ধস থেকে বাঁচাতে পরবর্তীতে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে ৩,৫০০ কোটি টাকা জোগান দিতে হয়, যা ব্যাংকটি আর উদ্ধার করতে পারেনি।

প্রথম আলো ইংরেজির সাথে এক ফোনালাপে শেখ আবদুল হাই বাচ্চু অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে নিজেকে 'বলির পাঁঠা' দাবি করেন এবং তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের নেতাদের ওপর দায় চাপান। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন তদন্তে এসব অনিয়মের সত্যতা পাওয়া গেছে। দুদকের দায়ের করা অন্তত ৬৬টি মামলায় তিনি অভিযুক্ত।

প্রথম আলো ইংরেজির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত বেসিক ব্যাংক একসময় একটি লাভজনক ও বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান ছিল। বাচ্চু চেয়ারম্যান হওয়ার আগে ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হার কখনো ৩-৪ শতাংশ অতিক্রম করেনি। সাবেক এই চেয়ারম্যান ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে বাগেরহাট-১ আসন থেকে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ছিলেন।