ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় ২০২০ সালের ৮ জুলাই রাত ১টার দিকে হারেজ (৪৫), যিনি ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার গুলহরি (দুর্গাপুর) এলাকার আবুল কাশেমের পুত্র, তার স্ত্রী মনোয়ারা বেগম (৩৫) ও কিশোর পুত্র সোহাগ (১৬)কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন। ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু ঘটে এবং হারেজকে গ্রেফতার করা হয়। নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু শামীম আজাদ এ রায়ে তাকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। পাবলিক প্রসিকিউটর আবুল কালাম আজাদ জাকির রায়ে এই শাস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।

সাতক্ষীরায় সমান ধরনের মামলার অন্য দৃষ্টিকোণ

দেশ রূপান্তরের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার ঘোনা গ্রামে আব্দুর রউফ সরদার (বয়স ৪০) তার স্ত্রী সাবিনা ইসলাম (২৬) ও কন্যা শিশুকে হত্যা করার অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড পেয়েছেন। এই ঘটনা ২০১৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর রাতের দিকে ঘটেছে বলে বলা হয়েছে। মামলায় পাবলিক প্রসিকিউটর শেখ আলমগীর আশরাফ রায়ে একই শাস্তি ও ৫০,০০০ টাকা জরিমানা আরোপ করেছেন। বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেন রায় ঘোষণা করেন।

উভয় প্রতিবেদনে শাস্তি ও জরিমানার পরিমাণ একই হলেও, স্থান, সময়, জড়িত ব্যক্তির নাম ও সম্পর্ক ভিন্ন। ঢাকা পোস্টের তথ্য অনুসারে হত্যার শিকারী হলেন এক পরিবারিক দম্পতি ও তাদের কিশোর পুত্র, আর দেশ রূপান্তরের তথ্য অনুসারে শিকারের মধ্যে রয়েছে এক স্ত্রী ও তার কন্যা। এছাড়া, দুই মামলার বিচারক, পাবলিক প্রসিকিউটর ও ঘটনার বছরও ভিন্ন।

এই পার্থক্যগুলোকে বিবেচনা করে, উভয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য যথাযথভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং প্রতিটি সূত্রের বিবরণ আলাদা করে উল্লেখ করা হয়েছে।