ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা শেষ হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোটগ্রহণ সামনে রেখে শেষ মুহূর্তে প্রচারে সরব ছিলেন প্রার্থীরা।

আসনটিতে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন (ধানের শীষ) ও ১১-দলীয় জোট-সমর্থিত জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেনের (দাঁড়িপাল্লা) মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে।

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১১ হাজার ৬২৯ জন, যার মধ্যে সংখ্যালঘু ভোটার ১ লাখ ৩০ হাজার। এই কারণে নির্বাচনে তাদের ভোটের অবস্থান নিয়ে আগ্রহ রয়েছে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে।

প্রশাসন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে। ২১ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন, ড্রোন নজরদারি, কে‑৯ ডগ ইউনিট ও বডি‑ওর্ন ক্যামেরা প্রস্তুত।

মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে ৩০ অক্টোবর মধ্যরাত পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ থাকবে, এবং প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস ও ট্রাকের ওপরও নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম জানান, ভোটাররা যাতে ভয়ভীতি ছাড়াই কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে জন্য প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

অন্যদিকে, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে সংখ্যালঘু ভোটারদের প্রকৃত পছন্দ ও ভোটের প্রবণতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে ভোটগ্রহণ ও ফলাফল প্রকাশের পর।

উল্লেখযোগ্যভাবে, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার নির্বাচনে অনিয়ম বা জালিয়াতির চেষ্টা হলে প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে আটক রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

উৎস: আজকের পত্রিকা।