একাত্তর টিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর আতিথেয়তায় আয়োজিত জি-২০ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলনে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ উপস্থিত ছিলেন।

ইউরোপীয় প্রতিনিধিরা ল্যাভরভের সাথে একই ফ্রেমে দাঁড়াতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন, ফলে সম্মেলনের ঐতিহ্যবাহী ‘ফ্যামিলি ফটো’ শেষ মুহূর্তে বাতিল করতে বাধ্য হয়েছিল আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র।

এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, ফটোসেশন নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত কূটনৈতিক বিতর্ক এড়িয়ে মূল আলোচনায় মনোযোগ কেন্দ্র করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সম্মেলনে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড ল্যাভরভের দিকে সরাসরি মন্তব্য করেন যে, এই যুদ্ধে কে আসল আগ্রাসী সেটা সবাই জানেন এবং পুতিনের বর্বর যুদ্ধ বন্ধ করতে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে হবে।

গৌরবের বিষয় হলো, এই সম্মেলনে ইউক্রেনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। ট্রাম্প প্রশাসন সম্প্রতি মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে জ্বালানির দাম কমাতে রাশিয়ার ডিজেল আমদানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়, যা ইউক্রেন ও ইউরোপীয় মিত্রদের ভালো লাগেনি। ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কি এটিকে পুতিনের জন্য ট্রাম্পের ‘বিশেষ উপহার’ বলে সমালোচনা করেছেন।

প্রতিপক্ষে ওয়াশিংটন দাবি করছে, পুতিনকে আলোচনার টেবিলে ধরে রাখতেই নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়েছে এবং ক্ষতিপূরণ হিসেবে ইউক্রেনকে ২০০ কোটি ডলারের প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।