শেরপুর সদর উপজেলায় মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত ভাতশালা ও লছমনপুর ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে পাগলা কুকুরের আক্রমণে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ শতাধিক মানুষ আহত হয়েছে, বলে দেশ রূপান্তর জানিয়েছে।
মুখ্য সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে কুকুরটি গ্রামগুলোতে অস্বাভাবিকভাবে ঘুরে বেড়িয়ে যাকে পায় তাকে কামড় ও আঁচড় দিয়েছে। একই দিনে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার সাজ্জাদ হোসেন জানান, সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত আক্রান্ত ৫০ জনকে জলাতঙ্ক টিকা দেওয়া হয়েছে এবং বাকিদের পর্যায়ক্রমে টিকা দেওয়া হবে।
অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী আহতের সংখ্যা ৮০ বা ৪৮ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ইনকিলাব, ইত্তেফাক ও চ্যানেল আই-এ ৮০ জন আহতের কথা বলা হয়েছে, যেখানে আজকের পত্রিকায় ৪৮ জন আহতের কথা উল্লেখ আছে। এছাড়া ইনকিলাব ও ইত্তেফাকের মতে চরশেরপুর ইউনিয়নের গ্রামগুলোও আক্রান্ত হয়েছে, যা দেশ রূপান্তরের মূল প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।
আহতদের মধ্যে মামুন মিয়া (৩৫), আবুল হোসেন (৬০) ও আইজউদ্দিন (৭০) গুরুতর অবস্থায় শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, এই তথ্য ইত্তেফাক ও চ্যানেল আই থেকে এসেছে।
টিকা সংক্রান্ত তথ্যেও পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। দেশ রূপান্তর অনুযায়ী ৫০ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে ইনকিলাব ও ইত্তেফাকের মতে সকল আহতকে টিকা দেওয়া হয়েছে এবং হাসপাতালের টিকা মজুত পর্যাপ্ত।
কুকুর নিধন কর্মসূচি গ্রহণের আহ্বান উভয়ই সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে, বিশেষ করে ইনকিলাবের প্রতিবেদনে এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত উল্লেখ করা হয়েছে।







