তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা কে এম তাহসিফ সাউরীর ভাসমান লাশ উদ্ধারের ঘটনায় পিবিআই ঢাকা মহানগর উত্তর তাঁর জুনিয়র বন্ধু আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। আজকের পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দীপ দাবি করেছেন যে ঘটনার রাতে কথা বলার সময় কিছু লোক তাঁদের ধাওয়া দিলে তাহসিফ নদে ঝাঁপ দেন এবং তিনি নিজে সেখান থেকে পালিয়ে আসেন। তবে ইত্তেফাক-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ধাওয়াকারীরা ‘পুলিশের লোক’ ছিল বলে দীপ পিবিআইকে জানিয়েছেন।
মোটরসাইকেল উদ্ধার ও তদন্তের অগ্রগতি
আজকের পত্রিকা এবং চ্যানেল ২৪-এর প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, দীপের দেখানো স্থান থেকে তুরাগ নদের সংযোগস্থল মাজার বস্তি এলাকায় একটি নম্বর প্লেটবিহীন মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে পিবিআই। দুর্ঘটনাস্থল ও লাশ উদ্ধারের স্থান থেকে এটি প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার দূরে টঙ্গী পশ্চিম থানার অধীন এলাকায় পাওয়া যায়। তাহসিফ বাসা থেকে যে মোটরসাইকেল নিয়ে বের হয়েছিলেন, সেটিতেও নম্বর প্লেট ছিল না বলে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে।
পরিবারের বক্তব্য ও ঘটনাপ্রবাহ
আজকের পত্রিকা জানায়, নিহত তাহসিফের বাবা এনায়েতুল করিমের ভাষ্য অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দীপের ফোন পেয়ে তাহসিফ বাসা থেকে বের হন। রাত ১টা ৩৫ মিনিটে মায়ের ফোনে ‘বাসায় ফিরছি’ বার্তা পাঠানোর পর থেকে তাঁর আর কোনো সন্ধান মেলেনি। সাবেক এই বিমান কর্মকর্তা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ধারণকারী হিসেবে আলোচনায় ছিলেন। দেশ রূপান্তর-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিবার এটিকে একটি ‘পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড’ বলে সন্দেহ করছে। নৌ পুলিশ মামলাটির মূল তদন্ত পরিচালনা করছে এবং পিবিআই এতে ছায়া তদন্ত করে সহযোগিতা করছে।







